প্রতিটি ডোজের সময় everbud আপনাকে মনে করিয়ে দেয়, আর এক ট্যাপেই জানিয়ে দিতে পারেন যে নিয়েছেন।
ওষুধ যোগ করুন
- আরও → স্বাস্থ্য → ওষুধ-এ গিয়ে ওষুধ যোগ করুন চাপুন।
- নাম আর ডোজ (যেমন ৫০০ mg) লিখুন, তারপর ধরন বেছে নিন: ট্যাবলেট, ক্যাপসুল, সিরাপ ইত্যাদি।
- দিনের সময়-এ প্রতিটি ডোজের সময় ঠিক করুন। বদলাতে সময়ের ওপর চাপুন, আরেকটা যোগ করতে সময় যোগ করুন চাপুন।
- কত দিন-এ চলবে বেছে নিন, অথবা কত দিন খাবেন তা ঠিক করুন। শেষ ডোজের পর রিমাইন্ডার থেমে যায়, আর everbud জানতে চায় আপনি কেমন বোধ করছেন।
- রিমাইন্ডার চালু রেখে ওষুধ সংরক্ষণ করুন চাপুন।
প্রেসক্রিপশন আছে? তার বদলে প্রেসক্রিপশন স্ক্যান করুন চাপুন, আর সেভ করার আগে প্রতিটি ওষুধ মিলিয়ে নিন। দেখুন স্ক্যান যেভাবে কাজ করে।
রিমাইন্ডার এলে
নোটিফিকেশনে ওষুধের নাম আর সময় থাকে, সাথে দুটি বোতাম:
- নিয়েছি চাপলে ডোজটি রেকর্ড হয়ে যায়।
- ৩০ মিনিট পরে চাপলে ৩০ মিনিট পর আবার মনে করিয়ে দেয়।
নোটিফিকেশনে চাপলে একটি ফুল-স্ক্রিন রিমাইন্ডার খোলে, সেখানেও এই দুটি বোতাম থাকে।
অ্যাপের ভেতরে ওষুধ স্ক্রিনের পরবর্তী ডোজ কার্ডে আছে এখন নিন আর পরে মনে করান। প্রতিটি ডোজ আলাদা করে গোনা হয়, তাই দিনে দুবারের ওষুধে দুটোই শেষ না হওয়া পর্যন্ত 1/2 নেওয়া হয়েছে দেখাবে।
রিমাইন্ডার বদলানো বা বন্ধ করা
ওষুধ স্ক্রিনে ওষুধটির ওপর চাপুন। সময় বদলান বা রিমাইন্ডার বন্ধ করুন, তারপর পরিবর্তন সংরক্ষণ করুন চাপুন। পুরোপুরি সরাতে ময়লার ঝুড়ির আইকনে চাপুন।
ডোজ বাদ পড়লে
everbud চিকিৎসা পরামর্শ দেয় না। ডোজ বাদ পড়লে কী করবেন, তা আপনার ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের কাছে জেনে নিন। অ্যাপ দেখে কখনো ওষুধ খাওয়ার নিয়ম বদলাবেন না।
ডোজ বাদ পড়লে পরিবারকে জানাতে চান? দেখুন পরিবার কী দেখতে পায়, কী পায় না।
রিমাইন্ডার আসছে না?
আগে এই দুটি দেখে নিন, তারপর পড়ুন রিমাইন্ডার দেরিতে আসে বা আসেই না? এখান থেকে শুরু করুন।